যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগল ডিপমাইন্ড তাদের নতুন এআই আবহাওয়া মডেল ‘ওয়েদারনেক্সট ৩’ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই মডেলটি তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বাতাসের গতির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাত্তের ভিত্তিতে আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তারিত ও নির্ভুল পূর্বাভাস প্রদান করবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে মনে করছে গুগল।
কারিগরি উন্নয়ন
ওয়েদারনেক্সট ৩ আগের মডেলের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি রেজোলিউশনের পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। পূর্বের মডেলটি ২৫ কিলোমিটার গ্রিডে তথ্য দিলেও, নতুন এই মডেল ৫ কিলোমিটার গ্রিডে তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। এছাড়া এই মডেলে ব্যবহৃত লাইভ স্যাটেলাইট ডেটা বায়ুমণ্ডলের হালনাগাদ চিত্র তুলে ধরে, যা আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ও ব্যবহার
নাসা এবং গুগলের নিজস্ব স্যাটেলাইট বিশ্লেষণের সমন্বয়ে বৃষ্টি ও তুষারপাতের পূর্বাভাস দেওয়ার সক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া কঠিন ছিল, সেখানে এই মডেল বেশি কার্যকর হবে।
গুগলের বিভিন্ন সেবা যেমন গুগল সার্চ, জেমিনি অ্যাপ, গুগল ম্যাপস এবং গুগল আর্থ ইঞ্জিনে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। সাধারণ ব্যবহারকারীরা গুগলের ‘ওয়েদার ল্যাব’-এ এই মডেলটি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। এছাড়া ডেভেলপারদের জন্য আগের মডেলটি ওপেন সোর্স হিসেবে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।