যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে তিন সন্তান শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত লিন্ডসে ক্ল্যান্সির বিচারিক প্রক্রিয়া কোনো সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারায় তা বাতিল (মিসট্রায়াল) হয়েছে। বিবিসি গ্লোবাল স্টোরি পডকাস্টের সহ-উপস্থাপক আসমা খালিদ জানিয়েছেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে মা কর্তৃক নিজের সন্তান হত্যার বিষয়টি মোকাবিলার জন্য ‘ইনফ্যান্টিসাইড’ বা শিশুহত্যা বিষয়ক বিশেষ আইন রয়েছে। এই আইনি কাঠামোগুলো লিন্ডসে ক্ল্যান্সির মতো মামলার বিচারিক ফলাফলকে ভিন্ন পথে নিতে পারত কি না, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই শিশু হত্যার ক্ষেত্রে বিশেষ আইন প্রযোজ্য হয়। সাধারণত সন্তানের জন্মের প্রথম বছরের মধ্যে মা যদি তাকে হত্যা করেন, তবে সেটিকে সাধারণ খুনের চেয়ে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। এসব দেশে আইনের বইয়ে ‘ইনফ্যান্টিসাইড’ শব্দটি নির্দিষ্ট আইনি সংজ্ঞার অধীনে কাজ করে, যা বিচারের ধরন ও সাজার মাত্রায় প্রভাব ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বিচারিক ব্যবস্থায় লিন্ডসে ক্ল্যান্সির ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট আইন না থাকায় জুরিরা কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন, যা মামলাটিকে একটি আইনি জটিলতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
মামলাটি মিসট্রায়াল ঘোষণার পর এখন বিচার বিভাগ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের আইনি ব্যবস্থার সাথে তুলনা করলে বিষয়টি বোঝা সহজ হয় যে, বিশেষ আইনের উপস্থিতি থাকলে এ ধরনের মর্মান্তিক অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া কীভাবে ভিন্ন হতে পারত।