পিএফএ মেরিটে ভূষিত স্যার কেনি ডালগ্লিশ ও কারেন কার্নি

August 25, 2026

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে ফুটবল জগতে দীর্ঘস্থায়ী অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্যার কেনি ডালগ্লিশ এবং কারেন কার্নিকে ২০২৬ সালের প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) মেরিটে অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ম্যানচেস্টারে আয়োজিত পিএফএ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে, যেখানে বর্ষসেরা পুরুষ ও নারী খেলোয়াড়দের নামও ঘোষণা করা হবে। স্যার গ্যারেথ সাউথগেট এবং এমা হেয়েসের পর এবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি পেলেন ডালগ্লিশ ও কার্নি।

৭৫ বছর বয়সী স্যার কেনি ডালগ্লিশ স্কটল্যান্ডের হয়ে ১০২টি ম্যাচ খেলে রেকর্ড ৩০ গোল করার পাশাপাশি খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে অনন্য ক্যারিয়ার গড়েছেন। সেলটিক থেকে ১৯৭৭ সালে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর ক্লাবের সোনালী অধ্যায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন তিনি। লিভারপুলের জার্সি গায়ে ১৪ বছরে আটটি ফার্স্ট ডিভিশন শিরোপা ও তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছেন। এছাড়া কোচ হিসেবে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সকে ১৯৯৫ সালে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতিয়েছিলেন তিনি। হিলসবরো ট্র্যাজেডির সময় লিভারপুলের পাশে দাঁড়ানো এবং স্ত্রী মেরিনার চিকিৎসার পর ক্যানসার রোগীদের সহায়তায় বিপুল অর্থ সংগ্রহের মতো মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্যও তিনি প্রশংসিত। বর্তমানে তিনি নিজে ক্যানসারের চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সী কারেন কার্নি ইংল্যান্ডের নারী ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল তারকা। ২০০৬-০৭ মৌসুমে আর্সেনালের হয়ে ঐতিহাসিক কোয়াড্রাপল (এক মৌসুমে চারটি শিরোপা) জয়ের সদস্য ছিলেন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বার্মিংহাম সিটি এবং চেলসির মতো ক্লাবের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ১৪৪ ম্যাচে ৩২ গোল করেছেন তিনি। ২০১৫ সালের নারী বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থান অর্জনে তার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। অবসরের পর কার্নি একজন সফল ব্রডকাস্টার ও বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন এবং ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারি পর্যালোচনার নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Leave a Comment