যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেট-এর প্রতিবেদক ডেভিন্দ্র হার্ডাওয়ার জানিয়েছেন, উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের ম্যাক প্ল্যাটফর্মে আসাটা বেশ কার্যকর একটি পদক্ষেপ। ম্যাক সাধারণত সমমানের উইন্ডোজ পিসি থেকে ভালো কর্মক্ষমতা দেয় এবং এর ব্যাটারি লাইফও দীর্ঘস্থায়ী। তবে এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু ব্যবহারিক ও কারিগরি দিক বিবেচনা করা উচিত।
ম্যাকে অভ্যস্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় কিছু শিক্ষার বিষয় রয়েছে। উইন্ডোজের মতো এখানে সরাসরি রাইট-ক্লিক অপশন নেই, যার বদলে ট্র্যাকপ্যাডে দুই আঙুলের ক্লিক বা কন্ট্রোল কি চেপে ধরে ক্লিক করতে হয়। এছাড়া অ্যাপ ইন্সটলের ক্ষেত্রেও উইন্ডোজের তুলনায় ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। উইন্ডোজের টাস্কবারের মতো ম্যাকের ডক বা উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমও নতুনদের কাছে শুরুতে কিছুটা জটিল মনে হতে পারে। এক্ষেত্রে হট কর্নার (Hot Corners) ফিচারটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
ম্যাকে গেমিংয়ের সুযোগ উইন্ডোজের তুলনায় বেশ সীমিত। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বড় গেম ম্যাকের জন্য আসছে, তবে একটি উৎসর্গীকৃত উইন্ডোজ গেমিং পিসির বিকল্প ম্যাক হতে পারে না। এছাড়া অ্যাপল সিলিকন চিপের কারণে বেশিরভাগ ম্যাক ডিভাইসে ভবিষ্যতে র্যাম বা স্টোরেজ আপগ্রেড করার সুযোগ নেই।
ম্যাকের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির অনুপস্থিতি। যদিও অ্যাপল আইফোন ও আইপ্যাডে এই প্রযুক্তির পথিকৃৎ, তবে এখন পর্যন্ত ম্যাকবুক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এছাড়া ম্যাক ব্যবহারে অ্যাপলের নিজস্ব ইকোসিস্টেমের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে, যেখানে আইফোন ও ম্যাকের আন্তঃসংযোগ ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট বৃত্তে আটকে ফেলতে পারে।