যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেট-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বেঞ্জামিন স্টেগনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালুর সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া অ্যাপগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনার পরামর্শ দিয়েছেন। পিসি দ্রুত চালু হওয়া এবং সিস্টেমের সম্পদ বা রিসোর্স যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য এই নিয়ন্ত্রণ জরুরি বলে জানিয়েছেন লেখক।
অনেক সময় কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় অসাবধানতায় ‘রান অ্যাট স্টার্টআপ’ বক্সে টিক চিহ্ন থেকে যায় অথবা প্রোগ্রামগুলো ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই তালিকায় যুক্ত হয়। ফলে উইন্ডোজ লগ-ইন করার সময় অগোচরেই ডজনখানেক অ্যাপ চলতে শুরু করে।
স্টার্টআপ অ্যাপ যেভাবে চেক করবেন
টাস্ক ম্যানেজার বা সেটিংস মেনু থেকে স্টার্টআপ অ্যাপগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিবোর্ডে Ctrl + Shift + Esc চেপে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করে ‘Startup apps’ আইকনে ক্লিক করলে চলমান অ্যাপগুলোর তালিকা দেখা যায়। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় নয় এমন অ্যাপের ওপর রাইট ক্লিক করে ‘Disable’ অপশনটি বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া ফাইল এক্সপ্লোরারে ‘shell:startup’ বা ‘shell:common startup’ লিখে সার্চ দিয়েও স্টার্টআপ ফোল্ডার খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
কোনগুলো বাদ দেবেন বা রাখবেন
যেসব অ্যাপ কখনোই ব্যবহার করা হয় না, সেগুলো পুরোপুরি আনইনস্টল করে দেওয়াই ভালো। যেসব অ্যাপ মাঝেমধ্যে প্রয়োজন হয়, সেগুলো স্টার্টআপ থেকে ডিজেবল করে রাখা উচিত। গেম বা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো ভারী সফটওয়্যারগুলো প্রয়োজন ছাড়া স্টার্টআপে চালু রাখা সিস্টেমকে ধীর করে দেয়। তবে ব্যাকআপ টুল, ক্লাউড স্টোরেজ, সিকিউরিটি সফটওয়্যার এবং নিয়মিত দরকারি ইউটিলিটি অ্যাপগুলো স্টার্টআপ তালিকায় রাখা যুক্তিসঙ্গত।
সিস্টেমের পারফরম্যান্স রক্ষায় নিয়মিত ব্যবধানে এই তালিকা যাচাই করা উচিত। উইন্ডোজের নোটিফিকেশন সেটিংসে গিয়ে ‘Startup App Notification’ অপশনটি চালু রাখলে নতুন কোনো অ্যাপ নিজে থেকে স্টার্টআপে যুক্ত হলে ব্যবহারকারী তার তথ্য পেয়ে যাবেন।