অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে প্রখ্যাত পরিবেশবাদী ও ‘ক্রোকোডাইল হান্টার’ খ্যাত স্টিভ আরউইনের মৃত্যুর ২০তম বার্ষিকীতে তাকে একজন ‘সুপারহিরো’ হিসেবে স্মরণ করেছেন তার পরিবার। ২০০৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের সময় স্টিংরে মাছের আক্রমণে স্টিভ আরউইনের অকাল মৃত্যু হয়। এই ঘটনা বন্যপ্রাণী প্রেমীসহ সারা বিশ্বের মানুষকে শোকাহত করেছিল। তার কন্যা বিন্দি আরউইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগপূর্ণ বার্তায় এই দিনটি স্মরণ করেছেন।
স্মৃতিকথা
বিন্দির ভাষ্যমতে, বাবার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার শুধু বন্যপ্রাণী সংরক্ষণেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানুষের প্রতি এবং প্রকৃতির প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। তিনি জানান, তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে প্রতিদিন দাদুর তথ্যচিত্র দেখে এবং সে তার দাদুকে সরাসরি না দেখলেও এক গভীর আত্মিক টান অনুভব করে। স্টিভের স্ত্রী টেরি এবং পুত্র রবার্ট আরউইনও আলাদাভাবে এই দিনে তার স্মৃতি রোমন্থন করেছেন। টেরি আরউইন তার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টিভের একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার শেয়ার করেছেন, যেখানে বিন্দির জন্মের মুহূর্ত এবং স্টিভের উচ্ছ্বাসের বর্ণনা পাওয়া যায়।
legacy বা উত্তরাধিকার
স্টিভের মৃত্যুর পর থেকে তার স্ত্রী ও সন্তানরা কুইন্সল্যান্ডে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়া জু পরিচালনার মাধ্যমে তার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বিন্দির মতে, তার বাবা তাদের পরিবারের জন্য একজন ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’ বা অভিভাবক ফেরেশতা হিসেবে রয়ে গেছেন। স্টিভ আরউইনের পুত্র রবার্ট আরউইনও তার বাবার সঙ্গে শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, বাবার এই অবদান চিরকাল বেঁচে থাকবে। স্টিভ আরউইনের অকাল প্রয়াণ বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সচেতনতায় যে শূন্যতা তৈরি করেছিল, তা আজও তার পরিবারের কাজের মাধ্যমে পূরণ করার চেষ্টা চলছে।