অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে অ্যাপলের আইটিউনস, তবে আগের মতো নেই কার্যকারিতা

September 6, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্টিভ জবসের ঘোষণার দীর্ঘ পঁচিশ বছর পর আইটিউনস এখনো টিকে থাকলেও এর কার্যকারিতা ব্যাপকভাবে সংকুচিত হয়েছে। এক সময়ের ডিজিটাল মিউজিক মার্কেটের ৬৩ শতাংশ দখল করে রাখা এই প্ল্যাটফর্মটি এখন অনেকটা তার জৌলুস হারিয়ে ফেলেছে। মূলত অ্যাপল মিউজিক বা স্পটিফাইয়ের মতো সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক স্ট্রিমিং সেবার উত্থান এবং আইটিউনসের জটিল ইন্টারফেস এর পতনের প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আইটিউনস এখন আর আগের মতো একক কেন্দ্র নয়, বরং এটি বিভিন্ন অ্যাপে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে গান শোনার জন্য মিউজিক অ্যাপ, সিনেমার জন্য অ্যাপল টিভি এবং পডকাস্টের জন্য আলাদা অ্যাপল পডকাস্ট অ্যাপ ব্যবহৃত হচ্ছে। ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য ডিভাইসের ব্যাকআপ বা সিঙ্ক করার প্রক্রিয়া এখন আইটিউনসের পরিবর্তে ফাইন্ডার অ্যাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

আপনার পুরনো কেনা গান বা মিডিয়া ফাইলগুলো হারিয়ে যায়নি। অ্যাপল অ্যাকাউন্টের (সাবেক অ্যাপল আইডি) মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের পুরনো মিউজিক লাইব্রেরি এবং কেনা কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। অ্যাপল মিউজিক সাবস্ক্রিপশন ছাড়াই ব্যবহারকারীরা তাদের ব্যক্তিগত ফাইল বা কেনা গানগুলো মিউজিক অ্যাপে শুনতে পারেন।

উইন্ডোজের ক্ষেত্রে আইটিউনস এখনো কিছু কাজ করছে। যারা অ্যাপলের নতুন অ্যাপ ব্যবহার করেন না, তারা এখনো উইন্ডোজে আইটিউনস দিয়ে অডিওবুক এবং ফ্রি পডকাস্ট ম্যানেজ করতে পারেন। তবে ম্যাক বা আইফোনের আধুনিক সংস্করণগুলোতে আইটিউনস কেবল একটি লিনিয়েজ বা উত্তরাধিকার সফটওয়্যার হিসেবে রয়ে গেছে, যেখানে মূল দায়িত্বগুলো এখন ফাইন্ডার বা অ্যাপল ডিভাইসেস অ্যাপের হাতে।

Leave a Comment