যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের আদালতের নির্দেশ বারবার অমান্য করার অভিযোগ তুলেছে সিএনএন, পলিটিকো এবং এমএস নাও। বৃহস্পতিবার সকালে এই তিনটি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং অনেকের প্রেস কার্ড জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জরুরি আদালতের শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যেখানে এই ঘটনার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আদালতের আদেশ
বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে বিচারক টিমোথি কেলি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক তিনটি সংবাদমাধ্যমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নিতে হবে। বিচারক পর্যবেক্ষণ দেন যে, এই নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।
প্রতিবেদকদের অভিজ্ঞতা
সিএনএন জানিয়েছে, তাদের সিনিয়র হোয়াইট হাউস রিপোর্টার বেটসি ক্লেইনসহ বেশ কয়েকজনকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পলিটিকো জানিয়েছে, তাদের এক সাংবাদিকের প্রেস কার্ড জব্দ করা হয়েছে। একই অভিজ্ঞতা হয়েছে এমএস নাও-এর সাংবাদিক লরা ব্যারন-লোপেজ ও তার প্রযোজকের। যদিও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই কিছু কর্মীকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
প্রেক্ষাপট
ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার এই তিনটি সংবাদমাধ্যমকে তাদের প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন। এরপর থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় আইনি লড়াইয়ে নামে। ফক্স নিউজ, এনবিসি, সিবিএস এবং এবিসিসহ অন্যান্য বড় সংবাদমাধ্যমগুলো সংহতি জানিয়ে হোয়াইট হাউসের সংবাদ কাভার করা থেকে বিরত থেকেছে। ৫০টিরও বেশি গণমাধ্যম এই আইনি লড়াইয়ে সমর্থন দিয়ে অ্যামিকাস ব্রিফ দাখিল করেছে। হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।