অধিকৃত পশ্চিম তীরের মালে আদুমিন এলাকায় ইসরায়েলের পরিকল্পিত ‘ই-১’ বসতি প্রকল্প নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি মঙ্গলবার পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে এই বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে এবং ই-১ প্রকল্পের উন্নয়ন রুখতে ইসরায়েলের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত ইসরায়েলি বসতিবিরোধী কার্যক্রমে একটি বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতা ও প্রতিক্রিয়া
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু বসতি স্থাপনকারী ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে কাজ করছে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি ‘জাতিগত নির্মূল’ কার্যক্রম চালাচ্ছে। ল্যামির অভিযোগ, ইসরায়েল সরকার এসব বিষয়ে নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।
ইসরায়েলের অবস্থান
যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার। তিনি ব্রিটিশ সরকারকে ‘শত্রুতাপূর্ণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রকল্পের পটভূমি
ইসরায়েল সরকার পশ্চিম তীরের ই-১ এলাকায় প্রায় ১ হাজার ২০০টি বসতি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। এলাকাটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছে। যুক্তরাজ্য মনে করে, এই বসতি নির্মাণ অঞ্চলটির শান্তি প্রক্রিয়া ও দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।