যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপ (ইউএমজি) এবং ইলেভেনল্যাবস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত একটি নতুন সংগীত তৈরির প্ল্যাটফর্ম চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। ইউএমজি জানিয়েছে, এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা একটি দীর্ঘমেয়াদী লাইসেন্সিং চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা শিল্পীদের জন্য নতুন এআই অডিও পণ্য তৈরিতে সহায়ক হবে। এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত সেইসব সংগীত ভক্তদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে, যারা অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের গানের রিমিক্স বা ম্যাশআপ তৈরি করতে আগ্রহী।
প্ল্যাটফর্মটির বৈশিষ্ট্য
এখনো নাম ঠিক না হওয়া এই সফটওয়্যারটি পুরোপুরি লাইসেন্সকৃত সংগীতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হচ্ছে। এতে শিল্পীদের অনুমতি সাপেক্ষে তাদের গানের অডিও ব্যবহার করা যাবে এবং শিল্পীরা তাদের কাজের ন্যায্য পারিশ্রমিক পাবেন। ইলেভেনল্যাবসের এই টুল ব্যবহার করে গানের নতুন ব্যাখ্যা বা ব্যক্তিগতকৃত কণ্ঠস্বরের অভিজ্ঞতা তৈরি করা সম্ভব হবে। তবে প্ল্যাটফর্মটি কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সংগীত শিল্পে এআইয়ের প্রভাব
সংগীত জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এর আগে ইউএমজিসহ বড় বড় মিউজিক লেবেলগুলো চার্ট থেকে এআই-নির্ভর নকল ট্র্যাক সরিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছিল। এছাড়া কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে সানো (Suno) এবং ইউডিওর (Udio) মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইও চলমান। তবে ওয়ার্নার মিউজিকের মতো অনেক কোম্পানি এখন আইনি লড়াইয়ের পরিবর্তে বিভিন্ন এআই প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা বা লাইসেন্সিং চুক্তিতে আসছে, যা সংগীত শিল্পে নতুন এক ধারার সূচনা করেছে।