ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিতব্য ইউরো ২০২৮-এর আসরকে সামনে রেখে ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য শুরুর একাদশ নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে বিবিসি স্পোর্টস। কোচ থমাস টুখেলের অধীনে ইংল্যান্ড দল এখনো টুর্নামেন্টের মূল পর্বে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারেনি, কারণ আয়োজক দেশ হওয়া সত্ত্বেও তাদের মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই জায়গা করে নিতে হবে।
বিবিসি স্পোর্টসের প্রধান ফুটবল লেখক ফিল ম্যাকনাল্টি মনে করেন, গোলরক্ষক হিসেবে জর্ডান পিকফোর্ডই এগিয়ে থাকবেন, তবে জেমস ট্র্যাফোর্ড তাকে বড় চ্যালেঞ্জ জানাবেন। রক্ষণভাগে তিনি ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের পরিবর্তে টিনো লিভরামেন্তোর ওপর ভরসা রাখছেন। এছাড়া আক্রমণভাগে হ্যারি কেইন এবং বুকায়ো সাকাকে তিনি নিশ্চিতভাবে একাদশে দেখছেন।
ফুটবল প্রতিনিধি স্যামি মোকবেল মনে করছেন, বর্তমান স্কোয়াডের খেলোয়াড়রাই তাদের সেরা ছন্দে থাকবেন এবং বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি রিও নগুমা, অ্যালেক্স স্কট এবং লুইস মাইলির মতো উদীয়মান তরুণরা দলে জায়গা পেতে লড়াই করবেন বলে তিনি মত দিয়েছেন।
বিবিসি রেডিও ৫ লাইভ-এর জন মারে মনে করেন, ইংল্যান্ড গত কয়েক বছরে বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছে, তাই বর্তমান দল গঠনের কাঠামো খুব একটা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। অভিজ্ঞতার বিচারে জর্ডান পিকফোর্ডই গোলপোস্ট সামলাবেন এবং রাইট-ব্যাক পজিশনে বেন হোয়াইট ও লিউইস হলের মতো খেলোয়াড়রা নিজেদের দাবি জানাবেন বলে তিনি ধারণা করছেন।
সিনিয়র ফুটবল প্রতিবেদক ইয়ান ডেনিস জানান, ২০২৮ সালের জুনে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সময় হ্যারি কেইনের বয়স হবে প্রায় ৩৫ বছর। এরপরও কেইনের অদম্য ইচ্ছাশক্তির কারণে তাকেই ইংল্যান্ডের নেতৃত্ব দিতে দেখা যেতে পারে। এছাড়া রক্ষণভাগে এজি কোনসা এবং রাইট-ব্যাক পজিশনে আর্চি গ্রে’র মতো তরুণদের সামর্থ্য নিয়ে তিনি আশাবাদী।
ফুটবল সংবাদ প্রতিবেদক অ্যালেক্স হাওয়েল জানান, থমাস টুখেলের কৌশলে মাইলস লুইস-স্কেলি মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া ১৮ বছর বয়সী ম্যাক্স ডাউম্যান এবং ব্রায়ান ম্যাডজোর মতো প্রতিভাবান তরুণরা টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকবেন বলে তিনি মনে করেন।