যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অলিম্পিক বিজয়ী সাইক্লিস্ট স্যার ক্রিস হয় জানিয়েছেন, প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির দায়িত্ব কেবল তার মতো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের ওপর বর্তানো উচিত নয়। তিনি মনে করেন, পুরুষদের ব্যক্তিগত ঝুঁকির বিষয়টি জানানোর জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটি সুশৃঙ্খল ও সক্রিয় ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
৪৭ বছর বয়সে চতুর্থ পর্যায়ের প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ক্রিস হয় সচেতনতা মূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, তার মতো ব্যক্তিদের প্রচারণার চেয়েও জরুরি হলো একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুরুষদের নিজস্ব স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতন করে তোলা।
ক্রিস হয় আরও বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর ১০ হাজার পুরুষ অনেক দেরিতে জানতে পারেন যে তারা প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত। তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, পিএসএ পরীক্ষার ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতে পারে, কিন্তু ঝুঁকি জানার গুরুত্ব অপরিসীম। যতক্ষণ না সরকারিভাবে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ পুরুষদের নিজেদের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে।
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর গ্লাসগোর স্যার ক্রিস হয় ভেলোড্রোমে তার প্রতিষ্ঠিত ‘ট্যুর ডি ফোর’ চ্যারিটি সাইক্লিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ক্যান্সারের সাথে জীবনযাপনের নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তন এবং আক্রান্তদের পরিবারকে একত্রিত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
তিনি ক্যান্সার গবেষণা ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের দাবিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে জানানো স্কটিশ সাঁতারু আর্চি গুডবার্নের আহ্বানের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছেন। ক্রিস হয় দৃঢ়তার সাথে বলেন, কেবল আলোচনা নয়, তিনি চান নীতিনির্ধারকরা যেন ক্যান্সারের ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত এবং বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।