অস্ট্রিয়ার লিনজে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফ ম্যাচে লাস্কের বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা সেলটিক শেষ পর্যন্ত শোচনীয় পরাজয় বরণ করে ইউরোপের শীর্ষ এই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। ম্যাচ শেষে সেলটিক অধিনায়ক ক্যালাম ম্যাকগ্রেগর তার সতীর্থদের পারফরম্যান্সকে ‘ভীত’ ও ‘নিষ্ক্রিয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইউরোপীয় ফুটবলে সেলটিকের এই হারকে একটি বড় ধরনের বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ম্যাচ শুরুর দিকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও খেলার মাঝপথে সেলটিকের রক্ষণভাগ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বিশেষ করে অস্টন ট্রাস্টি এবং বেঞ্জামিন নাইগ্রেনের ভুলে লাস্ক একের পর এক গোল আদায় করে নেয়। দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় এবং অতিরিক্ত সময়ে সেলটিকের খেলোয়াড়দের মধ্যে কোনো আত্মবিশ্বাসের ছাপ ছিল না এবং তারা প্রতিপক্ষের গোলমুখে কোনো কার্যকর শট নিতে ব্যর্থ হয়।
দলের এই করুণ দশায় দায়ভার নিয়েছেন কোচ মার্টিন ও’নিল। তিনি এটিকে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের অন্যতম খারাপ রাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কোচ ও অধিনায়ক উভয়ই স্বীকার করেছেন যে, চাপের মুখে দলের খেলোয়াড়দের মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতার চরম অভাব ফুটে উঠেছে।
দলের রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং মাঝমাঠে শারীরিক শক্তির অভাব বড় বড় ইউরোপীয় ম্যাচে তাদের বারবার ব্যর্থতার মুখে ঠেলে দিচ্ছে। লিগের গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে পরাজয়ের ফলে সেলটিক এখন ইউরোপা লিগে অংশগ্রহণ করবে। ক্লাবের এই শোচনীয় ব্যর্থতা এবং দল গঠনে সীমাবদ্ধতা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আবারও গভীর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।