যুক্তরাজ্যের লন্ডনে টাইসন ফিউরি এবং অ্যান্থনি জশুয়ার মধ্যকার প্রস্তাবিত বক্সিং লড়াইটি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে আয়োজন করতে অত্যন্ত আগ্রহী লন্ডনের মেয়র সাদিক খান। লড়াইটি লন্ডনে আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রচারকদের দ্রুত তার দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। দুই ব্রিটিশ বক্সারের এই লড়াই আয়োজনের ভেন্যু নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মাঝে মেয়রের এই আগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সৌদি আরবভিত্তিক আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেলা সম্প্রতি লন্ডনের মেয়রের দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করেছে। তবে লড়াইটি নভেম্বরে আয়োজনের জন্য আয়োজক এবং সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনকে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে লন্ডনে ভেন্যু নিশ্চিত করার বিষয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।
লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বিবিসি স্পোর্টকে বলেন, প্রচারকদের কাছে আমার বার্তা হলো, আমরা লন্ডনে এই লড়াই আয়োজন করতে চাই। আমাদের সাথে কথা বলুন, আমরা এ বিষয়ে খুবই আগ্রহী।
ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে সাধারণত রাত ১১টার মধ্যে সব কার্যক্রম শেষ করার নিয়ম রয়েছে। তবে লড়াইটি লন্ডনে সফলভাবে আয়োজনের জন্য মেয়র এই বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। গভীর রাতে লড়াইটি অনুষ্ঠিত হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন দর্শকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ব্রেন্ট কাউন্সিল জানিয়েছে, কার্ফিউ বাড়ানোর বিষয়টি ওয়েম্বলির নিরাপত্তা উপদেষ্টা কমিটির মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে হবে।
সাদিক খান আরও বলেন, অ্যান্থনি জশুয়া এবং টাইসন ফিউরি দুজনই দারুণ ব্রিটিশ বক্সার এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। তারা উভয়েই দেশের সমর্থকদের ভালোবাসেন। ওয়েম্বলিতে অতীতেও অনেক বড় বড় ইভেন্ট হয়েছে, আমরা চাই সমর্থকরা লন্ডনে বসেই এই লড়াই উপভোগ করুক।
জশুয়ার প্রমোটার এডি হার্ন জানিয়েছেন, তিনি এই সপ্তাহেই লড়াইয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পেতে চান। চুক্তি অনুযায়ী লড়াইটি যুক্তরাজ্যে হওয়ার কথা থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভেন্যু নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে মেয়রের এই নতুন উদ্যোগের ফলে ওয়েম্বলিতে লড়াইটি আয়োজনের সম্ভাবনা নতুন মাত্রা পেয়েছে কিনা, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।