যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল নতুন আইফোন বাজারে আনার প্রস্তুতির মধ্যে প্রযুক্তি বিশ্লেষক ফিলিপ এস্পোসিটো স্মার্টফোনের স্টোরেজ সক্ষমতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। আইফোন কেনার সময় স্টোরেজ ক্ষমতা নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদী ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
সাধারণত নতুন আইফোনগুলোর প্রারম্ভিক স্টোরেজ ২৫৬ জিবি হয়ে থাকে, যা গড় ব্যবহারকারীদের জন্য যথেষ্ট। হিসাব অনুযায়ী, একটি ৩ মেগাবাইটের ছবি ধরলে ২৫৬ জিবিতে প্রায় ৭০ হাজার ছবি সংরক্ষণ করা সম্ভব। তবে ৪কে ভিডিও বা বড় গেমের ক্ষেত্রে এই স্টোরেজ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কখন ৫১২ জিবি প্রয়োজন
ভিডিওগ্রাফির ক্ষেত্রে ৪কে ফুটেজ স্টোরেজ দ্রুত শেষ করে ফেলে। সাধারণ ৪কে ভিডিওর এক মিনিটে প্রায় ৪৪০ মেগাবাইট জায়গা প্রয়োজন হয়, আর অ্যাপল প্রোরেস কোডেক ব্যবহার করলে তা ৬ জিবি পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া র (RAW) ফরম্যাটের ছবিগুলোও প্রায় ৫০ মেগাবাইট পর্যন্ত জায়গা দখল করে। গেমারদের ক্ষেত্রেও বড় গেম যেমন রেসিডেন্ট ইভিল ৪-এর মতো গেমগুলো ৩০ জিবি পর্যন্ত জায়গা নেয়। এমন পরিস্থিতিতে অফলাইনে ব্যবহারের জন্য বেশি স্টোরেজের বিকল্প নেই।
সিস্টেমের ব্যবহার ও আইক্লাউড
আইফোনের আইওএস সিস্টেম নিজেই প্রায় ২৪ জিবি জায়গা দখল করে নেয়, যা এআই মডেল বা অফলাইন ম্যাপ ব্যবহারের ফলে আরও বাড়তে পারে। তবে যারা আইক্লাউড ব্যবহার করেন এবং অনলাইনে গান বা সিনেমা স্ট্রিমিংয়ে অভ্যস্ত, তাদের জন্য ২৫৬ জিবি যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু যারা ক্লাউডের ওপর নির্ভর করতে চান না বা ঘনঘন ভ্রমণে ইন্টারনেটের সমস্যার সম্মুখীন হন, তাদের জন্য ৫১২ জিবি বা তার বেশি স্টোরেজ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।