যুক্তরাজ্যের লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে চেলসিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল। মৌসুমের শুরুতে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে গানার্সদের জন্য এটি ছিল বড় পরীক্ষা। ৯৯ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস এই লড়াইয়ে আর্সেনাল তাদের রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং আক্রমণভাগের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।
ম্যাচটিতে আর্সেনালের মূল ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা ও জুরিয়েন টিম্বার ইনজুরির কারণে না থাকলেও দলের রক্ষণভাগ ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। চেলসি ১৩ বার গোলমুখে শট নিলেও আর্সেনালের গোলপোস্টের ভেতরে তাদের প্রভাব ছিল খুবই নগণ্য। পরিসংখ্যান বলছে, চেলসি আর্সেনালের পেনাল্টি বক্সে মাত্র ২৫ বার বল স্পর্শ করতে পেরেছে।
আর্সেনালের ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। বেন হোয়াইট ও বুকায়ো সাকার সমন্বয়ে তৈরি ৪৭ শতাংশ আক্রমণ চেলসির রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রাখে। অন্যদিকে, কাই হাভার্টজ এবং মার্টিন ওডেগার্ডের নৈপুণ্যে আর্সেনাল নিজেদের ছন্দ ধরে রাখে। ওডেগার্ডের গোলটি ম্যাচ জেতানোর পাশাপাশি তাকে ম্যাচ সেরার স্বীকৃতিও এনে দেয়।
চেলসির জন্য ইতিবাচক দিক হলো তারা প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা তিন ম্যাচের শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছে। যদিও জ্যাভি আলোনসোর অধীনে দলটি নতুন করে গুছিয়ে উঠছে, তবে রক্ষণভাগের দুর্বলতা এখনো তাদের জন্য বড় চিন্তার কারণ। ম্যাচটিতে চেলসির আক্রমণভাগের খেলোয়াড় কোল পামার ও জোয়াও পেড্রো চেষ্টা করলেও আর্সেনালের জমাট রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হন।
এই জয়ের মাধ্যমে আর্সেনাল টানা তিন ম্যাচে জয় তুলে নিল। অন্যদিকে, চেলসি এই পরাজয় সত্ত্বেও তাদের নতুন ধাঁচের ফুটবল ও সাহসী মানসিকতা দিয়ে শীর্ষ চার দলের লড়াইয়ে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে।