ইংল্যান্ডের লন্ডনে টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে নটিংহ্যাম ফরেস্টের গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচের ৬৭ মিনিটে নেকো উইলিয়ামসের করা গোলটি ভিএআর বা ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বাতিল করার পর নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নতুন প্রকাশিত এক ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, গোলটির ঠিক আগে বলটি উইলিয়ামসের হাতে লেগেছিল। ম্যাচের দায়িত্বে থাকা ভিএআর পিটার ব্যাংকস তার পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গোলটি বাতিল করেছিলেন।
ম্যাচ শেষে নটিংহ্যাম ফরেস্টের ডিফেন্ডার উইলিয়ামস এবং কোচ অলিভার গ্লাজনার দাবি করেছিলেন যে, বল তার হাতে লাগার কোনো প্রমাণ নেই। নতুন ফুটেজটি ভিএআর-এর সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে প্রমাণ করলেও, এর মাধ্যমে বিতর্ক থামার কোনো লক্ষণ নেই। কারণ, এই নতুন ক্যামেরার কোণটি ম্যাচের সময় ভিএআর কর্মকর্তার কাছে উপলব্ধ ছিল না। ফলে ফরেস্ট ভক্তদের মধ্যে এই হস্তক্ষেপের বৈধতা নিয়ে ক্ষোভ রয়েই গেছে।
ভিএআর সেন্টার মূলত সম্প্রচারকারী চ্যানেলের ক্যামেরার ফুটেজ ব্যবহার করে থাকে। নতুন ফুটেজটি অন্য ক্যামেরার, যা ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচারের অংশ ছিল না। পিটার ব্যাংকস ম্যাচের সময় তার কাছে থাকা ফুটেজে শার্টের নড়াচড়া দেখে বল হাতে লাগার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছিলেন। তবে সাবেক মিডফিল্ডার ড্যানি মারফি মনে করেন, বলটি হাতে লাগলেও এটি গোল বাতিল করার মতো স্পষ্ট কোনো ভুল ছিল না।
এদিকে, রেফারিদের সংস্থা ‘প্রো রেফ’ এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করছে। উইলিয়ামস বারবার দাবি করেছিলেন যে বল তার হাতে লাগেনি, যা সংস্থাটিকে হতাশ করেছে। বর্তমানে গোল বাতিলের এই আইনটি নিয়ে বিতর্ক চলছে। রেফারিদের প্রধান হাওয়ার্ড ওয়েব জানিয়েছেন, আক্রমণভাগের হ্যান্ডবল সংক্রান্ত এই আইনটি পরিবর্তনের পক্ষে তারা লবিং করছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের গোল বাতিল না হয়।
বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে ভিএআর-এর ব্যবহার অনেক সীমিত করা হয়েছে। তবুও মাঠের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে এর হস্তক্ষেপ ভক্ত ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিচ্ছেই।