যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাক বা পিসি ডিভাইসের সাথে আইপ্যাডকে সেকেন্ডারি ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করে কাজের গতি বাড়ানো সম্ভব। ফিলিপ এসপোসিটো জানান, ভ্রমণের সময় বা অফিসের বাইরে যারা পোর্টেবল মনিটর খুঁজছেন, তাদের জন্য আইপ্যাড একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে।
অ্যাপল সাইডকার ফিচার
ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের নিজস্ব ফিচার সাইডকার সবচেয়ে সহজ উপায়। এটি ব্যবহারের জন্য ম্যাক এবং আইপ্যাডে একই আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট থাকতে হয়। ম্যাকের কন্ট্রোল সেন্টারে গিয়ে স্ক্রিন মিররিং অপশন থেকে আইপ্যাড নির্বাচন করলেই সেটি সেকেন্ডারি ডিসপ্লেতে রূপান্তর হয়ে যায়। এছাড়া ইউনিভার্সাল কন্ট্রোল ফিচারের মাধ্যমে একটি মাউস বা কিবোর্ড দিয়ে দুই ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ এবং ফাইল ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ করা যায়।
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য বিকল্প
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য ডুয়েট ডিসপ্লে (Duet Display) বা লুনা ডিসপ্লে (Luna Display)-এর মতো সফটওয়্যার রয়েছে। ডুয়েট ডিসপ্লেতে সাবস্ক্রিপশন ফি প্রয়োজন হয় এবং এটি পিসি ও আইপ্যাড উভয় ডিভাইসেই ইনস্টল করতে হয়। অন্যদিকে, লুনা ডিসপ্লে একটি হার্ডওয়্যার ডঙ্গল ব্যবহার করে কাজ করে, যা মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি ছাড়াই সরাসরি ওয়্যারলেস সংযোগ প্রদান করে। এটি হেডলেস মোডেও কাজ করতে সক্ষম, ফলে কোনো মূল মনিটর ছাড়াই ম্যাক মিনি বা পিসির ডিসপ্লে হিসেবে আইপ্যাড ব্যবহার করা যায়।
অতিরিক্ত সুবিধা
এই প্রযুক্তিগুলো ব্যবহারের ফলে আইপ্যাডের টাচস্ক্রিন সুবিধা কাজে লাগানো যায়। এমনকি গ্রাফিক্সের কাজের জন্য অ্যাপল পেন্সিল ব্যবহার করে আইপ্যাডকে একটি গ্রাফিক্স ট্যাবলেটেও রূপান্তর করা সম্ভব। যদিও সংযোগের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে ছোটখাটো ত্রুটি দেখা দিতে পারে, তবে তারযুক্ত সংযোগ ব্যবহারের মাধ্যমে এই সমস্যা কমিয়ে আনা সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।