যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল তাদের আইফোন ডুয়ো বাজারে আনার মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে, তারা ফোল্ডেবল প্রযুক্তি আয়ত্ত করতে সক্ষম। প্রযুক্তি বিশ্লেষক ডেভিন্দ্র হারদাওয়ারের মতে, স্যামসাং বা আসুসের মতো প্রতিষ্ঠানের পথ অনুসরণ করে অ্যাপলের উচিত এখন ছোট এবং বড় উভয় ধরনের ফোল্ডেবল ডিভাইস তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া। আইফোন ডুয়োর ১,৯৯৯ ডলারের উচ্চমূল্য সত্ত্বেও এটি প্রমাণ করে যে অ্যাপল এখন এই ধরনের হার্ডওয়্যার তৈরির সক্ষমতা অর্জন করেছে।
প্রস্তাবিত আইফোন ফ্লিপ
স্যামসাংয়ের জেড ফ্লিপ সিরিজের আদলে একটি আইফোন ফ্লিপ বাজারে আনার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সেই ব্যবহারকারীদের চাহিদা মেটাতে পারে যারা আইফোন মিনির মতো ছোট ডিভাইস খুঁজছেন। অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন টার্নাস আগামী বছর এই ধরনের একটি ডিভাইস বাজারে এনে আইফোন ডুয়োর সাফল্যকে এগিয়ে নিতে পারেন। এই ডিভাইসে বাইরের দিকে ছোট ডিসপ্লে থাকতে পারে, যা নোটিফিকেশন দেখা বা সেলফি তোলার মতো সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হবে।
ফোল্ডেবল আইপ্যাড প্রো
বড় পর্দার ক্ষেত্রে অ্যাপল আসুস বা লেনোভোর মতো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ভালো কিছু করার সুযোগ রাখে। সফটওয়্যার এবং ডিভাইসের নকশার দিক থেকে অ্যাপলের যে দক্ষতা রয়েছে, তা একটি ফোল্ডেবল আইপ্যাডকে নতুন মাত্রা দিতে পারে। ১৩ ইঞ্চির ফোল্ডেবল আইপ্যাড প্রো বা ১১ ইঞ্চির ছোট কোনো সংস্করণ ট্যাব এবং ল্যাপটপ উভয় মোডেই ব্যবহারের উপযোগী হতে পারে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
অ্যাপলের জন্য ফোল্ডেবল ডিভাইসের বাজারে প্রবেশ করা এখন সময়ের দাবি। স্যামসাং আগে থেকেই এই প্রযুক্তির ভিত তৈরি করে রেখেছে, তাই অ্যাপল সেই পথ ধরে আধুনিক উদ্ভাবন যোগ করতে পারে। তবে এটি নিশ্চিত যে, এই ধরনের বড় প্রজেক্ট বাস্তবায়নে অ্যাপলের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। এখন দেখার বিষয়, অ্যাপল তাদের স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট লাইনে এই বড় পরিবর্তনগুলো নিয়ে কী পরিকল্পনা গ্রহণ করে।