যুক্তরাজ্যের ডার্বিশায়ারের ডার্বি শহরে এক ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগের তদন্ত করছে স্থানীয় পুলিশ, যে ঘটনার সাথে ইংল্যান্ডের পেসার ব্রাইডন কার্সের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডার্বিশায়ার পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। হামলার ঘটনায় কার্সের সরাসরি কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার জেরে লর্ডসে পাকিস্তান সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের জন্য ঘোষিত ইংল্যান্ডের দল থেকে কার্সকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পটভূমি
গত শনিবার রাতে ডার্বি শহরের একটি নাইটক্লাবের বাইরে পুলিশের হাতে আটক হন ডারহামের এই পেসার। পুলিশের প্রাথমিক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, মদ্যপ ও বিশৃঙ্খল আচরণের সন্দেহে ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল, তবে এলাকা ত্যাগ করার শর্তে তাকে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ওই সময় কার্সের সাথে ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস এবং পেসার ম্যাথিউ পটস উপস্থিত ছিলেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।
ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিক্রিয়া
ঘটনার পর ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক জো রুট অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, দলের খেলোয়াড়দের এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কার্স তার আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং অনুতপ্ত বলে জানিয়েছেন রুট। বর্তমানে এই বিষয়টি ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড এবং ক্রিকেট রেগুলেটর নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।