আইফোনের ডু নট ডিস্টার্ব ও ফোকাস মোডের পার্থক্য কী?

September 13, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল আইফোনের ডু নট ডিস্টার্ব ও ফোকাস মোডের কার্যকর ব্যবহারের পার্থক্য সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন প্রযুক্তি লেখক ফিলিপ এস্পোসিটো। আইফোনের এই ফিচারগুলো ব্যবহারকারীকে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনের ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়ে মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করে।

সাধারণত সাইলেন্ট মোড সক্রিয় থাকলে ফোন নিঃশব্দ থাকে কিন্তু নোটিফিকেশন দেখা যায়। বিপরীতে ডু নট ডিস্টার্ব মোড সব ধরনের নোটিফিকেশন, কল এবং অ্যালার্ট পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। আইওএস ১৫ সংস্করণে অ্যাপল ‘ফোকাস’ মোড প্রবর্তন করে, যা ডু নট ডিস্টার্ব-এর একটি উন্নত ও অত্যন্ত কাস্টমাইজযোগ্য সংস্করণ।

ফোকাস মোড ব্যবহারের নিয়ম

আইফোনের কন্ট্রোল সেন্টার থেকে সহজেই এই মোডগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফোকাস মোডের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা। ব্যবহারকারী চাইলে নির্দিষ্ট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নোটিফিকেশন আসার অনুমতি দিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, কাজের সময় শুধুমাত্র অফিসিয়াল অ্যাপ যেমন স্ল্যাক বা মেইল থেকে আসা বার্তাগুলো সক্রিয় রাখা সম্ভব। এছাড়া ক্যালেন্ডার ইভেন্ট বা জরুরি অ্যালার্মের জন্য ‘টাইম সেনসিটিভ নোটিফিকেশন’ অপশনটি চালু রাখা জরুরি।

স্বয়ংক্রিয় সক্রিয়করণ

ফোকাস মোডগুলো ম্যানুয়ালি চালু করা ছাড়াও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হতে পারে। হেলথ অ্যাপের ঘুমের সময়সূচী অনুযায়ী স্লিপ ফোকাস এবং কারপ্লে-এর সাথে সংযুক্ত হলে ড্রাইভিং ফোকাস নিজে থেকেই চালু হয়ে যায়। এছাড়া অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারকারীদের জন্য ‘রিডিউস ইন্টারাপশন’ নামে একটি এআই-চালিত মোডও অফার করে। ব্যবহারকারী চাইলে নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ফোকাস মোড তৈরি এবং এতে আইকন যুক্ত করতে পারেন। এই মোডগুলো সক্রিয় থাকা অবস্থায় কেউ আইমেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে প্রেরক তা জানতে পারেন, তবে ব্যবহারকারী তার সুবিধামতো সময়ে নোটিফিকেশনগুলো দেখে নিতে পারেন।

Leave a Comment